পশ্চিমবঙ্গ সরকারের “Banglar Yuva Sathi 2026 (বাংলার যুব সাথী প্রকল্প ২০২৬)” এখন রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবকদের কাছে বড় আশার আলো।
সরকারি ঘোষণায় স্পষ্ট করা হয়েছে —
✔ প্রতি মাসে ₹১,৫০০
✔ সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা
✔ সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত সহায়তা
✔ ভাতা শুরু ১লা এপ্রিল ২০২৬
এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী শিক্ষিত কিন্তু কর্মহীন যুবক-যুবতীদের চাকরি খোঁজার সময় আর্থিক সহায়তা দেওয়া।
সরকারি ঘোষণামতে, যারা সফলভাবে আবেদন করবেন তারা ১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে ভাতা পেতে শুরু করবেন।
তার আগে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এই প্রকল্প চালু করেছে Government of West Bengal।
📅 আবেদন চলবে: ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
📍 ফর্ম ফিলাপ হবে: দুয়ারে সরকার ক্যাম্পের মাধ্যমে
এটি একটি Direct Benefit Scheme (DBT)।
এর মানে:
টাকা সরাসরি ব্যাঙ্কে যাবে
কোনো মধ্যস্থতাকারী থাকবে না
স্বচ্ছ ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে অর্থ প্রদান
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| প্রকল্পের নাম | Banglar Yuba Sathi 2026 |
| রাজ্য | পশ্চিমবঙ্গ |
| চালু করেছেন | মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় |
| উপকারভোগী | বেকার যুবক-যুবতী (২১–৪০ বছর) |
| শিক্ষাগত যোগ্যতা | মাধ্যমিক পাশ |
| মাসিক ভাতা | ₹১,৫০০ |
| টাকা দেওয়ার পদ্ধতি | Direct Bank Transfer |
| সর্বোচ্চ সময়কাল | ৫ বছর |
| আবেদন পদ্ধতি | Offline (দুয়ারে সরকার) + Online |
| আবেদন তারিখ | ১৫–২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |
| ভাতা শুরু | ১ এপ্রিল ২০২৬ |
| অফিসিয়াল পোর্টাল | apas.wb.gov.in |
অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের বাজেট ঘোষণার পর থেকেই এই প্রকল্প আলোচনায়।
✔ শিক্ষিত বেকারদের আর্থিক নিরাপত্তা
✔ চাকরি খোঁজার সময় সহায়তা
✔ যুবশ্রী প্রকল্পের আপডেটেড সংস্করণ
✔ সহজ আবেদন পদ্ধতি (দুয়ারে সরকার ক্যাম্প)
এই প্রকল্প অনেকের কাছে সত্যিকারের “লাইফলাইন”।
রাজ্যের ২৩টি জেলায় ক্যাম্প হবে:
Alipurduar
Bankura
Paschim Bardhaman
Purba Bardhaman
Birbhum
Cooch Behar
Dakshin Dinajpur
Darjeeling
Hooghly
Howrah
Jalpaiguri
Jhargram
Kalimpong
Kolkata
Malda
Murshidabad
Nadia
North 24 Parganas
Paschim Medinipur
Purba Medinipur
Purulia
South 24 Parganas
Uttar Dinajpur
⚠ আপনার বিধানসভা এলাকার ক্যাম্প লোকেশন না পেলে আপডেটের জন্য পুনরায় চেক করুন।
আপনি আবেদন করতে পারবেন যদি:
✔ পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হন
✔ বয়স ২১–৪০ বছরের মধ্যে
✔ মাধ্যমিক পাশ
✔ বর্তমানে বেকার
✔ অন্য কোনো বেকার ভাতা না পান
❌ যদি ইতিমধ্যে অন্য বেকার ভাতা পান
❌ যদি কর্মরত থাকেন
❌ যদি ভুয়ো তথ্য দেন
যদিও অফলাইন ক্যাম্প প্রধান মাধ্যম, তবুও অনলাইন আবেদন চালু করা হয়েছে।
Apply Now ক্লিক করুন।
সক্রিয় মোবাইল নম্বর ব্যবহার করুন।
ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
নির্ধারিত ফাইল সাইজ মেনে।
| ডকুমেন্ট | ফরম্যাট | সাইজ সীমা |
|---|---|---|
| মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড | 300 KB | |
| মাধ্যমিক মার্কশিট | 300 KB | |
| আধার কার্ড | 300 KB | |
| ভোটার কার্ড | 300 KB | |
| ব্যাঙ্ক পাসবুক | 300 KB | |
| কাস্ট সার্টিফিকেট (যদি থাকে) | 300 KB | |
| পাসপোর্ট সাইজ ছবি | JPG/PNG | 50 KB |
| স্বাক্ষর | JPG/PNG | 50 KB |
যখন পোর্টাল সম্পূর্ণ সক্রিয় হবে:
✔ Application ID ব্যবহার করে
✔ মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে
আপনি জানতে পারবেন আপনার আবেদন:
Submitted
Under Verification
Approved
Rejected
হ্যাঁ, নিয়মিত ছাত্রছাত্রীরা আবেদন করতে পারবেন।
না, একসঙ্গে দুটি সমজাতীয় ভাতা পাওয়া যাবে না।
যোগ্য আবেদনকারীরা ১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে পাবেন।
Banglar Yuva Sathi 2026 রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
যদি আপনি যোগ্য হন,
১৫–২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আবেদন করুন,
এবং ১লা এপ্রিল থেকে সরাসরি ব্যাঙ্কে ভাতা পাওয়ার সুযোগ নিন।
আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল ফাইন্যান্স সংক্রান্ত তথ্য শুধুমাত্র সাধারণ জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য। এটি কোনো বিনিয়োগ বা আর্থিক পরামর্শ নয়। বিনিয়োগের আগে অবশ্যই একজন যোগ্য আর্থিক পরামর্শদাতার পরামর্শ নিন। এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট বা তথ্যের ভুল বা ত্রুটির কারণে সৃষ্ট কোনো ক্ষতির জন্য আমরা দায়ী নই। ওয়েবসাইটে থাকা লিঙ্কগুলির মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটে প্রবেশের ফলে সৃষ্ট কোনো সমস্যা বা ক্ষতির জন্যও আমরা দায়বদ্ধ নই।
Copyright © 2024-2026 Koti Takar Kotha(কোটি টাকার কথা). All Rights Reserved.
Author: Priya Paul Roy
আমি Priya Paul Roy, একজন লেখিকা এবং আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে আন্তরিকভাবে নিবেদিত। আমি “কোটি টাকার কথা” (www.kotitakarkotha.com) নামে একটি বাংলা ফাইন্যান্স ব্লগ পরিচালনা করি, যেখানে আমি নিয়মিত অর্থ ব্যবস্থাপনা, শেয়ার বাজার, মিউচুয়াল ফান্ড, বিনিয়োগ, সঞ্চয় এবং ব্যাঙ্ক পরিষেবা নিয়ে সহজ ও অন্যান্য তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট শেয়ার করি। আমার লক্ষ্য হলো—সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিক ভীতি দূর করে জটিল ফাইন্যান্স বিষয়গুলোকে সহজ, বোধ্য ও বাস্তব উদাহরণসহ উপস্থাপন করা, যেন সবাই নিজের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষমতা পায়।